হেডলাইন: ISRO-র PSLV-C62 মিশন ব্যর্থ: ‘অন্বেষা’ (EOS-N1) এবং আরও ১৫টি উপগ্রহ কক্ষে স্থাপন করা যায়নি — বিশ্লেষণ শুরু

Online Desk

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO ২০২৬ সালের প্রথম মহাকাশ মিশনে বড় ধাক্কা পেল। PSLV-C62 উৎক্ষেপণ ছিল দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা—এটি EOS-N1 (অন্বেষা) নামে একটি উচ্চমানের ভূ-পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট এবং আরও ১৫টি সহ-চারী স্যাটেলাইটকে কক্ষপথে স্থাপন করার পরিকল্পনা ছিল। মিশনটি ১৪:১৮ IST, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ এ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয় এবং প্রথম দিকে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল।

 

তবে, উৎক্ষেপণের প্রায় ৩০ মিনিট পর, রকেটের তৃতীয় পর্যায়ে একটি অপ্রত্যাশিত বাগ দেখা দেয়। ISRO’র চেয়ারম্যান ড. ভি. নারায়নান জানিয়েছেন যে উড্ডয়ন এবং প্রথম ধাপ পর্যন্ত সব কার্যক্রম সফল ছিল, কিন্তু তৃতীয় স্তরের শেষের দিকে দূরত্ব-পথে বিচ্যুতি দেখা দেয় এবং ধাক্কা লেগে যায়, ফলে রকেট পরিকল্পিত কক্ষপথে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়। এই অ্যানোমালি রকেটের গতি ও নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে এবং এর ফলে প্রধান উপগ্রহ EOS-N1 (অন্বেষা) এবং সহ-চারী সব উপগ্রহ *তার লক্ষ্য কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি’।

 

EOS-N1 ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) কর্তৃক উন্নত একটি হাইপারস্পেকট্রাল আর্থ অবজার্ভেশান স্যাটেলাইট, যা উন্নত পর্যবেক্ষণ, প্রান্তিক নজরদারি ও কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন মহাদেশীয় কাজে ব্যবহার হওয়ার কথা ছিল।

 

এ মিশনে ভারতীয় স্টার্ট-আপ ও আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের ক্যাশে সম্পূর্ণ ১৬টি স্যাটেলাইট থাকার কারণে এটি শুধু ISRO-র নয়, ভারতীয় বেসরকারি মহাকাশ ইকোসিস্টেমের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ব্যর্থতার কারণে সকল উপগ্রহের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং ISRO একটি বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে যাতে ভবিষ্যতে এমন ত্রুটি পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

Share This Article
Leave a comment