২০২৫ সালের ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক (T20I) ম্যাচে একটি অদ্ভুত এবং বিরল ঘটনা ঘটেছে — একই ওভারেই ৭টি ওভারের বাইরের বল (wide) দেওয়া হয়েছে, যা ক্রিকেট ইতিহাসে একটি অপছন্দনীয় রেকর্ড হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
এই ঘটনা মহারাজা যাদবিন্দ্র সিংহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, মুলানপুরে ১১ডিসেম্বর ২০২৫-এ খেলা দ্বিতীয় T20I ম্যাচের ১১তম ওভার-এ ঘটেছে, যেখানে ভারতীয় বোলার আর্শদীপ সিংহ (Arshdeep Singh) বিরাট চাপের মধ্যে ছিল।
ওভারটি শুরু থেকেই খারাপভাবে গড়ায়। প্রথম বলেই কোয়েন্টন ডি কক একটি শক্তিশালী ছয় হাঁকান, যা আর্শদীপের উপর চাপ তৈরি করে। এরপর তিনি wide-ই লক্ষ্য করে আউটসাইড অফ-স্টাম্পে বল করতে উদ্যত হন, কিন্তু বারবার লক্ষ্যভ্রান্ত হয়ে বিস্তার বাড়িয়ে ফেলেন। ফলস্বরূপ উম্পায়ার বার-বার wide ঘোষণা করেন এবং শেষ পর্যন্ত ১৩টি বলের একটি ওভার তৈরি হয় — যা একটি নিয়মিত ৬ বলের পরিবর্তে ১৩ বল পর্যন্ত চলতে থাকে।
এই দীর্ঘ ওভারটি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮ রান পায়, যার মধ্যে ৭টি রান wide হিসেবে যোগ হয়েছিল এবং এই কারণে এটি **একজন বোলারের ফুটবল সদস্য দেশগুলির (Full Member Nation) মধ্যকার T20I-তে সর্বোচ্চ wides একটি ওভার হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।**
ইতোমধ্যেই এই ওভারটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর, পাশাপাশি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা এই ভুলের উপর উষ্মা প্রকাশ করেছেন। এমন একটি পরিস্থিতিতে ভুলে গিয়ে এতগুলো wide হওয়া ক্রীড়াজগতের এক বিরল ও বিব্রতকর মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাধারণভাবে একটি টি-টোয়েন্টি ওভার ৬টি বল দিয়ে সম্পন্ন হয়, কিন্তু wide বা no-ball দেওয়ার কারণে অতিরিক্ত বল যোগ হয়। এই ক্ষেত্রে আর্শদীপের ৭টা wides ওভারটিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ১৩-বল ওভার বানিয়ে দিয়েছে, যা বোলিং কন্ট্রোল এবং নিয়ন্ত্রণের অভাব নির্দেশ করে।
এই রেকর্ড এমন একটি অপ্রত্যাশিত আর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা খেলার উন্নত পর্যায়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে রাবার ও মনোযোগের গুরুত্বকেও তুলে ধরে।