ভারতে শীত পুরোপুরি জাঁকিয়ে বসেছে, আর India Meteorological Department (IMD) জানিয়েছে—রাজ্যে এখন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এর ফলে তাপমাত্রা দ্রুত নিচে নামছে, বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে পারদ ৯–১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে, যা ডিসেম্বরের প্রথম দিকের জন্যই যথেষ্ট কম। তাই শহর থেকে জেলা—সব জায়গায়ই শীতের বাড়তি দাপট দেখা যাচ্ছে।
🌬️ শীতের কারণ কী?
উত্তর ভারতের হিমালয় অঞ্চল থেকে প্রবাহিত উত্তুরে শুষ্ক ও ঠান্ডা হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় রাতের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাচ্ছে। দিনে রোদ থাকলেও রাত ও ভোরে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে বেশি।
🌡️ কোথায় কত ঠান্ডা?
কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ—অধিকাংশ জায়গায় ৯–১০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা।
উত্তর ২৪ পরগনা–দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শীতের অনুভূতি আরও বেশি।
উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🌫️ পরবর্তী দিনগুলোর পূর্বাভাস
আগামী ৪–৫ দিন শীত আরও বাড়বে, কারণ শুষ্ক উত্তুরে হাওয়া অব্যাহত থাকবে।
ভোরে ও রাতে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা বাড়ছে, বিশেষ করে নদিয়া–মুর্শিদাবাদ–উত্তর ২৪ পরগনায়।
বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, ফলে হিমেল পরিবেশ বজায় থাকবে।
👨👩👧 সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব
তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় রাস্তাঘাটে ও সকালে কাজে বের হওয়া মানুষ কাঁপুনির শীত অনুভব করছেন।
বয়স্ক, শিশু ও শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় ভোগা মানুষদের বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সকালে স্কুলগামী শিশুদের জন্য গরম পোশাক ব্যবহার জরুরি।
রাত–ভোরে বাইরে বের হলে মোটা জ্যাকেট, ক্যাপ, গ্লাভস ব্যবহার করতে IMD পরামর্শ দিয়েছে।
🔥 বিশেষ সতর্কবার্তা
ঘরের ভেতরে কয়লা বা আগুন জ্বালিয়ে গরম নেওয়া বিপদজনক—কার্বন মনোক্সাইড ঝুঁকি থাকতে পারে।
বেশি শুষ্ক আবহাওয়ায় ঠোঁট, ত্বক ও গলা শুকিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক—তাই পানি বেশি পান করা উচিত।